দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সহ-আয়োজক দেশ হিসেবে নিজেদের মাঠে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে কানাডা। ১৯৮৬ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলার পর দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে ২০২২ সালে কাতারে ফিরেলেও এখনো বিশ্বকাপে কোন জয় নেই কানাডিয়ানদের। তাই বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ম্যাচটি তাদের জন্য ইতিহাস বদলানোর সুযোগ।
শুক্রবার (১২ জুন) দিবাগত রাত ১টায় বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে টরেন্টোতে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে স্বাগতিক কানাডা। গ্রুপ বি-এই ম্যাচ থেকে চোটের কারণে ছিটকে গেছেন দলটির অধিনায়ক আলফোনসো ডেভিস।
কানাডার বর্তমান দলটি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি আত্মবিশ্বাসী। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উত্তর আমেরিকার ফুটবলে নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে তারা। ইউরোপের বিভিন্ন লিগে খেলা ফুটবলারদের নিয়ে দলটির প্রত্যাশাও বেড়েছে। ঘরের মাঠ, দর্শকের সমর্থন এবং সহ-আয়োজক হিসেবে বাড়তি অনুপ্রেরণা থাকবে সব মিলিয়ে কানাডার সামনে বড় সুযোগ। তবে নিয়মিত অধিনায়ক না থাকাটা আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি হবে কিনা সে কথাটা নিশ্চিতভাবে বলা যাবে ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর।
ফুটবলে বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা সহজ প্রতিপক্ষ নয়। ২০১৪ বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশ নেওয়ার পর এবার আবার বিশ্বমঞ্চে ফিরেছে তারা। অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার এদিন জেকো এখনো দলটির বড় ভরসা। তরুণদের সঙ্গে তার অভিজ্ঞতা বসনিয়ার আক্রমণভাগকে ভারসাম্য দিতে পারে। বাছাইপর্ব পেরিয়ে আসার পথে দৃঢ়তা দেখানো দলটি কানাডার ঘরের মাঠের সুবিধাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে চাইবে।
কানাডা ও বসনিয়ার মুখোমুখি লড়াইও খুব বেশি হয়নি। আগের সীমিত দেখায় বসনিয়াই কিছুটা এগিয়ে আছে। ফলে টরন্টোর ম্যাচে কানাডার সামনে থাকবে শুধু বিশ্বকাপে প্রথম জয় নয়, অতীতের হিসাব বদলানোর সুযোগও।
বিশ্বকাপের ৪৮ দলের নতুন ফরম্যাটে গ্রুপ পর্বে প্রতিটি ম্যাচের গুরুত্ব বেড়েছে। প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুই দল সরাসরি নকআউট পর্বে যাবে, সঙ্গে সেরা আটটি তৃতীয় দলও জায়গা পাবে শেষ বত্রিশে।
এমএম/